ক্লোরেস্টল যেন একটি ভয়ের নাম । অনেকে মনে করে যে আমার শরীরে হাই ক্লোরোস্টল আছে । তখন সে অনেক আপসেট হয়ে যায় ।যে আমার শরীরে ক্লোরোস্টল আছে এখন আমি কি করব ।এখন আমার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে । কিংবা জটিল কোন রোগ হতে পারে । এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।
তবে সবার আগে জেনে নেয়া দরকার যে ক্লোরোস্টল কিন্তু আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটা জিনিস । আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত দরকারি একটা জিনিস । আমাদের লিভার কিন্তু প্রতিনিয়ত ক্লোরোস্টল তৈরি করে যাচ্ছে । কারণ আমাদের শরীরের যে মেটাবলিজম হচ্ছে, সেলস দিভিশন গুলো হচ্ছে তার জন্য ক্লাস্টার কিন্তু খুবই দরকারি । এটার জন্য ভয় পাওয়ার কিছুই নেই ।
কিন্তু আপনি আসলে বাইরে যে খাবারগুলো খাচ্ছেন সেগুলোতে কতটা ক্লোরোস্টল আছে সেই বিষয়ে আপনাকে সজাগ থাকতে হবে । বিশেষ করে অনেকেই মনে করে যে চর্বি জাতীয় খাদ্য গুলো খেলে কোলেস্টেরল লেভেল বেড়েছে । এটা একটা ভুল ধারণা ।
হাই ক্যালোরী জাতীয় খাদ্য খেলে কোলেস্টেরল বেড়ে যায় । আবার হাই কার্বোহাইড্রেট খাবার গুলোতে ক্লোরোস্টল এ টা অনেক বেশি থাকে। তাই আপনার কিন্তু এখনই সচেতন হওয়ার সময় । আপনার খাবারের অভ্যাসের ওপর খেয়াল রাখতে হবে। আপনার খাবারের অভ্যাসের কারণে যেন আপনার শরীরে ক্লোরেস্টল পরিমাণ বেড়ে না যায় ।
আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেকেই চর্বি জাতীয় খাদ্য বাদ দিয়ে বেশি পরিমাণে ভাত খায়। রুটি খেয়ে থাকে আবার অনেকে আলু খায়। কিন্তু আপনাকে জানতে হবে রুটি, ভাত, আলু এগুলো চর্বি জাতীয় খাদ্য না হলেও এগুলো কিন্তু হাই কার্বোহাইড্রেট খাবার। তাই এগুলোতে ক্লোরেস্টল পরিমাণ অনেক ।
এই সমস্ত কার্বোহাইড্রেট খাবার খাওয়ার পর । কার্বোহাইড্রেট ভেঙ্গে গ্লুকোজ তৈরি হয়। আবার এই গ্লুকোজ গুলো লিভার এগিয়ে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা হতে থাকে। আর এগুলো থেকেই ক্লোরেস্টল এর উৎপত্তি শুরু। আমাদের লিভারে একটা পরিমাণমতো ক্লোরেস্টল জমা হয়ে থাকে । যখনই এর পরিমাণ বাড়তে শুরু করে। তখন লিভার আর ক্লোরেস্টল ধরে রাখতে পারেনা । তখনই এগুলো আমাদের লিভারের উপর জমতে শুরু । আমাদের রক্তে কোলেস্টরলের পরিমাণ টা বেশি লক্ষণীয় হয়।
কি কি খাবার খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে ?
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে আপনাকে চর্বিজাতীয় খাবার পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে । আবার বেশি কার্বোহাইডেট খাবার ও খাওয়া যাবেনা । বাইরের খাবার যেমন ফাস্টফুড খাওয়া একেবারে কমিয়ে দিতে হবে । তবে এসময় দুধ খাওয়া যেতে পারে কারণ দুধের শুধু চর্বির পরিমাণ না অনেক প্রয়োজনীয় উপাদান মিক্সড আছে । আপনি ডিম খেতে পারেন । কারণ ডিম খেলে অনেক এনার্জি গেইন হয় যেটা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত দরকারি ।
আজকের আয়োজনে এতোটুকুই । আমাদের দেওয়ার টিপস থেকে যদি আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই শেয়ার করবেন ।আর আমাদের সাইটে নিয়মিত ভিজিট করুন এমনি দরকারি স্বাস্থ্য টিপস পেতে ।